‘শেষ চিঠি’, টেড হিউজ

sylvia-plath

 

কি ঘটেছিলো  সেই  রাতে, তোমার শেষ রাতে?

সামগ্রিক বিচ্ছুরণ, এক, দুই, তিনবার।

শুক্রবার দুপুরবেলায়  আমাদের শেষ দেখা হয়েছিলো;

আমাকে লেখা চিঠি এ্যাশট্রেতে পোড়াচ্ছিলে তুমি,

অদ্ভূত এক হাসি ছিলো তোমার ঠোঁটে।

 

কি যেন বলছিলে ধোঁয়া ওঠা কাঁচের ফলার মত

চিঠির ওপর দাঁড়িয়ে, কি শান্ত সমাহিত সেই দাহ।

আমি তোমাকে ফেলে চলে গিয়েছিলাম

যাতে সেই ছাই তুমি উড়িয়ে  দিতে পারো।

ওই এ্যাশট্রেটার পাশেই গোঁজা থাকবে ডাক্তারের নম্বর।

আমার ফেরারী জীবন, নির্ঘুম এবং স্বপ্নহীন।

 

কি হয়েছিলো সেই রাতে তোমার শেষ কয়েক ঘন্টায়

অজানাই রয়ে গেলো, যেন কিছুই ঘটেনি।

তোমার আস্ত জীবনটা অনায়াসে,

জরায়ূর পর্দা ছিঁড়েখুঁড়ে বেরিয়ে আসা প্রতিটা মূহুর্ত

সাবলীল ঘটে গেলো যেন কিছুই আদতে ঘটছে না।

 

অথচ টেলিফোনটা যখন জেগে উঠলো

আমি ঠিক তখনই লিখতে শুরু করেছিলাম।

সব মনে পড়লো এক ঝাঁকুনিতে।

আমার হাতটাকেও খুঁজে পাওয়া গেলো এমনকি।

 

তারপর একটা ছোরা বা সুপরিকল্পিত ইনজেকশানের মত

আমার কানে গেঁথে গেলো চারটে শব্দ:

কে যেন বলছিলো:

“আপনার স্ত্রী মারা গেছেন”।

***

ছবি: সিলভিয়া প্ল্যাথ।

Advertisements

About purnachowdhury

I am a person of and for ideas. They let me breathe.
This entry was posted in কবিতা, বাংলা, Uncategorized. Bookmark the permalink.

One Response to ‘শেষ চিঠি’, টেড হিউজ

  1. Pingback: ‘শেষ চিঠি’, টেড হিউজ | Methinks…

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s