পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (বিংশতি পর্ব )

jewelry-box

মধ্য ষাটের দশক ভারি গোলমেলে।সেই ১৯৪৯এ অন্নদাশঙ্কর ছড়া কেটেছিলেন:

যেখানে যা কিছু ঘটে অনিষ্টি
সকলের মুলে কমিউনিষ্টি
মুর্শিদাবাদে হয় না বৃষ্টি
গোড়ায় কে তার? কমিউনিস্টি!
পাবনায় ভেসে গেছে সৃষ্টি
তলে তলে কেটা। কমিউনিস্টি
কোথা হতে এলো যত পাপিষ্ঠি
নিয়ে এলো প্লেগ কমিউনিস্টি

গেল সংস্কৃতি গেল যে কৃষ্টি
ছেলেরা বললো কমিউনিস্টি
মেয়েরাও ওতে পায় কী মিষ্টি
সেধে গুলি খায় কমিউনিস্টি।
যে দিকেই পড়ে আমার দৃষ্টি
সে দিকেই দেখি কমিউনিষ্টি
তই বসে বসে করছি লিস্টি

এ পাড়ায় কে কে কমিউনিস্টি।

ষাটের মাঝামাঝি এসে সেই বাসি কথা ফললো। সামনে যুক্তফ্রন্টের আমল। কমিউনিস্ট কথাটা জড়িয়ে নানা সংশয়। ১৯৪৭এ তাদের ভূমিকা, রশিয়া চীনের চোরাগোপ্তা টানাপোড়েন।তবে কিনা এসবই হলো জাহাজের খবর। আমাদের সেসব কথায় কাজ নেই। লাহিড়ী বাড়ি মার্কামারা কংগ্রেস বাড়ি। ওবাড়ির দরজা ভাঙা কঠিন কাজ। কিন্তু এখন দিনকাল আলাদা। পূর্ণলক্ষ্মীর বর্গাদারিতে বড় ভয়। জমিজমা যেটুকু তলানিতে ঠেকেছে, সেটুকু সম্বল করেই তাঁর শেষ দুটো কাজ: ছায়া আর যদি কপালে থাকে, খুকু। তবে খুকু বড্ড ছোট। ছায়ার থেকেও আটবছর পরে। অনেকদিন একা যুদ্ধ করে একটি কথা তিনি সার বুঝেছেন: ভয়ে যখন বুক কাঁপে, তখন রাঙা চোখে পৃথিবীর দিকে তাকাতে হয়। তাই বারুইপুরের জগন্নাথ যখন দেখা করতে আসে, তিনি বীরেন্দ্রনাথের চেয়ারে বসে হাতল দুটো শিরা ওঠা হাতে চেপে ধরে বলেন: “তোমরা নাকি বর্গা আপিসে যাতায়াত করছো?”
মাঠকরুণের সামনে বসে জগন্নাথ প্রবল ভাবে হাত নাড়ে। না। করছে না। তারা সব কর্তার আমলের লোক। কর্তা হাতে ধরে তাদের বসত করিয়েছিলেন। মাঠাকরুণ তাদের এই চিনলেন?
পূর্ণলক্ষ্মী আর কথা বাড়ান না। বলেন, “এই অবেলায় আর মুড়ি চিঁড়ে খেয়ে কাজ নেই। দুটি ঝোল ভাত খেয়ে নাও”। তাদেরই আনা পুকুরের পোনামাছ ধুয়ে বেছে রান্না বসে। তার সঙ্গে মোটা চালের ভাত।ডাল আর এক থাবা ঝাল-ঝাল আলু পোস্ত। জগন্নাথ আর তার ছেলে খুশী হয়ে খায়। যে যাই বলুক, মার্কস্ সাহেব যখন শ্রেণী সংগ্রামের তত্ত্বটি মানব জাতিকে উপহার দেন তখন তাঁর হিসেবের মধ্যে সম্ভবতঃ পূর্ণলক্ষ্মীর মত বঙ্গদেশের অসহায় বিধবারা ছিলেননা।বিশেষ করে সেইসব বিধবা, যারা সামান্য জমিজমা আঁকড়ে নিজের আর একটা নেই-আঁকড়া সংসারের লজ্জা নিবারণ করেন। অরক্ষণীয়া মেয়েদের যথা সর্বস্ব দিয়ে পাত্রস্থ করেন। যাই হোক্…
মায়ার পর ছায়া। শুক্লাপঞ্চমীতে জন্ম, তাই শুক্লা। বালীগঞ্জের বাড়ির গৃহপ্রবেশে সারা দুপুর ধরে অতিথি অভ্যাগত সামলে সন্ধ্যের ঝোঁকে আঁতুড়ে ঢুকেছিলেন পূর্ণলক্ষ্মী। কতবড় ভাগ্যির কথা। কোলে তখন সলিল দেড় বছরের। বড় দেরী করে ফেলেছিলো এই মেয়েটা। ছয় নম্বর মেয়ের জন্মকালে শাঁখ বেজেছিলো কিনা কে জানে। তবে কিনা বেশীর ভাগ গেরস্থ বাড়িতেই মেয়ে হলে শাঁখ বাজতো না এই যা সান্ত্বনা। ছায়া যখন হাত পা নাড়া খেলনা পুতুল ছিলো, তখন থেকেই বুঝে গিয়েছিলো তকে লড়াই করে বাঁচতে হবে। সলিলের সঙ্গে কোল বালিশ, দুধের বোতল নিয়ে লড়াই। মায়ের সঙ্গে আদর কাড়ার লড়াই। মায়ার সঙ্গে মশারি টাঙানোর লড়াই। তারই ফাঁক ফোকর দিয়ে কবে যেন ষোলো কলায় বেড়ে উঠেছিলো পূর্ণলক্ষ্মীর এই প্রায় কোলমোছা মেয়েটা। তার একবছর বয়সে যে ডাক্তার নিদান হেঁকেছিলেন আর পূর্ণলক্ষ্মী যে ঈশ্বরের নামে মেয়েকে তুলসী মঞ্চের গোড়ায় শুইয়ে রেখে এসেছিলেন এই অদ্ভূত সুন্দর মেয়েকে দেখে তা বোঝার উপায় ছিলোনা।
‘অদ্ভূত সুন্দর’ কথাটার একটা মানে আছে বৈকি। ছায়া বাঙালী মেয়েদের তুলনায় একটু বেশী লম্বা। ছায়ার নাকটা একটু বেশি উঁচু, আবার বাঁশীর মত, তাও কেউ বলবেনা। ছায়ার চোখ পটলচেরা নয়। ছায়া মায়ের বর্ণ পায়নি। কিন্তু ছায়ার যা ছিলো, পূর্ণলক্ষ্মীর কোনও মেয়ের তা ছিলোনা। ছায়া ছিলো চুম্বকের মত। আকর্ষণটা যে ঠিক কোথায়, মুক্তোর সারি হাসিতে, না ঝর্ণার মত শরীরে, বোঝানো ভারী শক্ত। তার ওপর ছিলো পিঠ ছাড়ানো ছাপানো একঢাল চুল। তাই দিদিদের পুরোনো শাড়িতেও ঘাড় ফিরিয়ে এ মেয়েকে একবার দেখতেই হয়। সে তুমি পাশের বাড়ির গিন্নীই হও, বা পাড়ার মোড়ে বসে থাকা ছেলেই হও।
এত ইনিয়ে বিনিয়ে রূপের ব্যাখ্যানের কারণ আছে। সেই যে তুলসীমঞ্চ বৃত্তান্ত? এক বছরের মেয়েটা ঠিকই করেছিলো বেঁচে তাকে থাকতেই হবে যেভাবেই হোক। তবে সব লড়াই কি আর জেতা যায়? টাইফয়েড ছায়ার স্মৃতি শক্তি খানিকটা খেয়ে নিয়েছিলো। পূর্ণলক্ষ্মীর ভাষায় “অঙ্গহানি”। কিন্তু কি আশ্চর্য, তাতে ছায়ার আস্ত আস্ত গান মনে রাখতে, বা সুক্ষ্ম পুঁতির কাজের ব্যাগ বানাতে একটুও অসুবিধে হতো না। যত গণ্ডগোল বাধতো বইয়ের পাতায়। দক্ষিণের পাঁচ নম্বর ঘরে ছায়ামাসি একমনে ব্যাগ বুনছে পুঁতির পাহাড়ের মাঝখানে রং মিলন্তি করে, কমলা সাদা কালো, আর মাথা নিচু করে গুনগুনিয়ে গান গাইছে, এই ছবিটা এখনও সোনার মনে ঝকঝকে।
কিন্তু, “ও মা, মেয়ে গ্র্যাজুয়েট নয়? তাহলে তো…” খুব সত্যি কথা। বিয়ের পিঁড়ি থেকে নেমেই চাল ধুতে হবে। ঘরদোর সামলাতে হবে। বছর দেড়েকের মধ্যে গর্ভ লক্ষণ না ধরা পড়লে অপরাধী হয়ে থাকতে হবে। ছাপার অক্ষরের সঙ্গে সম্পর্ক দুপুর বেলা ফ্যান চালিয়ে উল্টোরথ পড়া। তাও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহর করা কাগজটি না থাকলে শ্বশুরবাড়ির মান থাকেনা। ওটি থাকা চাইই চাই।
***
MBDWOOF EC162

এক পুষ্প দিল বাপে শিবের চরণে।
ঘটক আইবে শীঘ্র বিয়ার কারণে।।
আর পুষ্প দিল বাপ বড়ঘরের বর।
“আমার কন্যার স্বামী হউক দেব পুরন্দর।।”

কোথায় রাজশাহীর আতাইকুলা আর কোথায় দক্ষিণ কলকাতা। আতাইকুলা গ্রামের ডাক্তারবাবু সুধীন্দ্রনাথ সান্যালের তিন ছেলে। মেজ ছেলেটির মাথার দোষ। ১৯৫০ এর রায়টে গ্রামের নিধন যজ্ঞের সময় একটি মু্ণ্ডহীন ধড়কে খানিকটা ছুটে পড়ে যেতে দেখেছিলো। মাথাটা আর খুব পরিস্কার থাকেনি তারপর। সুধীন্দ্রনাথ ছেলেদের গ্রামে রাখা আর যু্ক্তিযুক্ত মনে করেননি। তল্পিতল্পা গোটানোর পরিকল্পনা শুরু হয়েছিলো আগেই। শ্যালক থাকতেন হাজারিবাগে। অল্প অল্প করে টাকা পাঠানো শুরু করেছিলেন দেশভাগের সময় থেকেই। বড় বাড়ি হবে পশ্চিমে। অবস্থা বুঝে সপরিবারে চলে যাবেন। নতুন করে প্র্যাকটিস শুরু করবেন।মাঝেমধ্যেই চিঠিপত্রর আদানপ্রদান হতো। শ্যালক আশ্বাস দিতেন বাড়ি প্রায় শেষ। তিন ছেলে হাজারিবাগ পৌঁছে দেখেছিলো কোনও বাড়ি নেই। মাতুল বলেছিলেন তিন তিনটি বয়স্ক ছেলের ভার নিতে তিনি অপারগ। একজনকে রাখা অসম্ভব নয়। বড়ছেলে থেকে গিয়েছিলো। ছোট ছেলে কালিদাস পাগল দাদাকে নিয়ে সিংহবিক্রমে হাঁটা দিয়েছিলো কলকাতার পথে। সুধীন্দ্রনাথ আর তার স্ত্রীর আর কোনও দিন আতাইকুলা ছাড়া হয়নি। তারপর যা ঘটে তা হাতে পেলে ষাটের দশকের চিত্রপ্রযোজকরা লুফে নিতেন।
চিত্রনাট্যে বেশ কয়েকটা অর্থবহ দৃশ্য হতে পারতো। যেমন পাগল দাদাকে ভোরবেলা খাইয়ে দাইয়ে ছোট ভাই সাইকেল নিয়ে বেরোচ্ছে এক নি্ম্ন মধ্যবিত্ত পাড়ার একটা বাড়ির একতলা থেকে। সকালবেলা খবরের কাগজ ফিরি। ফিরে এসে দাদাকে সাব্যস্ত করে খাইয়ে দরজায় তালা দিয়ে কলেজ। সন্ধ্যেবেলা টাইপিং শিখে দুটো একটা ছাত্র পড়িয়ে রাত্রিবেলা বাড়ি। এইসব দিগন্তকারী দৃশ্যর সঙ্গে আরও কিছু রূপকথা ধর্মী দৃশ্য যোগ করলে “অপুর সংসার” বিরচিত হয়। মরমী দর্শকরা ‘ধন্য ধন্য’ করেন। কিন্তু ডাক্তার সুধীন্দ্রনাথ সান্যালের কনিষ্ঠ পুত্রের জীবনে তেমন কিছু ঘটেনা। কলেজ শেষ করে একটা ব্রিটিশ ফার্মে কনিষ্ঠতম করণিক হয়ে জীবন শুরু। তারর একটু একটু করে সিঁড়ি ভাঙা। এই সংগ্রামী মানুষটাই কালেচক্রে পূর্ণলক্ষ্মীর ‘সাজুনি’ মেয়ের ইহকাল পরকাল হয়ে দাঁড়ায়।
ঐ বারুইপুরের জগন্নাথরাই নেমন্তন্নে বাড়ির কলাপাতা যোগান দিয়ে পাত পেড়ে খেয়ে হাসিমুখে বারুইপুরে ফেরে।। বেনারসি পেঁয়াজ রঙা। দিদিদের মত লাল চেলির ঘোমটা না। ছোট্ট একটা লাল ভেল, বিলিতি ঢংএর, লম্বাটে মুখটুকু ঘিরে।এইভাবেই শ্রীমতী শুক্লা লাহিড়ী (বইয়ের প্রথম পাতায় গোটা গোটা ছাঁদে লেখা) শ্রীমতী শুক্লা সান্যাল হয়ে একটা অন্যরকম জীবন শুরু করে।
‘সাজুনি’ বিশেষণটি দ্যোতক। চুল সাতগুছি করে বিনুনি করে বিষ্ণুর চক্রের মত খোঁপা। কপালে প্লাস্টিকের ঝকমকে টিপ। গয়নার বাক্স ভরা গোছা গোছা বেলোয়াড়ি চুড়ি। সন্ধ্যেবেলা শাড়ির সঙ্গে রং মিলিয়ে পরা। (ভুললে চলবে না ষাটের দশকের মাঝামাঝি মোটামুটি ঐ সাজেই শর্মিলা ঠাকুর এবং মুমতাজ বঙ্গ হিয়ায় হিল্লোল তুলেছিলেন)। সে যাই হোক,এই মেয়েটিকেই জুড়ে দেওয়া হলো এমন একজনের সঙ্গে, যার জীবনবোধের একটা বড় জায়গা জুড়ে ছিলো শুধু নির্মোক বেঁচে থাকার যুদ্ধ। অপুর মত “তোমার অনুশোচনা হয়না?” জিগেস না করলেও তার বাড়াবাড়ি রকমের লাবণ্যময়ী স্ত্রীটির যে আর একটু স্বচ্ছল সংসার প্রাপ্য ছিলো, এই বোধটা কালিদাস সান্যালকে সারা জীবন তাড়া করে ফিরেছে।
–“আমি তো ওর কোনও অভাব রাখিনি শিলাদি…?”
শুক্লার জীবনে কিসের অভাব ছিলো, শুক্লাই কি ছাই ভালো বুঝতো? অপর্ণার মত তোলা উনুনে ফুঁ দিয়ে আঁচ তুলতে হতো না বটে, কিন্তু স্বল্প পরিসর তার নিজের সংসারে পা ছড়িয়ে বসে কাঁচের চুড়ি পরার বা সাতগুছির খোঁপা বাঁধার সুযোগ ছিলোনা। দিদিদের মত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তারও ছিলো। কোনও সোচ্চার অভিযোগ ছিলো না, কিন্তু জীবনটাকে নিয়ে খুব আপ্লুত হতে পারেনি ছায়া। দুঃখ পেয়ে দুঃখ দিয়ে মা ‘যার হাতে তুলে দিয়েছিলো’ সারাজীবন তার ছায়া হয়ে থেকেছে। ছেলে মেয়ের মা হয়েছে, কর্তব্য করেছে, কিন্তু জীবনটা ঠিক যেভাবে সাজাতে চেয়েছিলো, পারেনি। সেই ক্ষোভ তাকে মাঝেমাঝেই চৌচির করে দিয়েছে। আঁচ লেগেছে ছেলে মেয়ের গায়ে, তাদের উদার অসহায় বাবার গায়ে। পূর্ণলক্ষ্মী যে তার আভাস পাননি তাও নয়। সাত মেয়ের আতান্তরে পড়া বিধবা মা কিই বা করতে পারে, শুনি? নাভিশ্বাস উঠলেও মেয়েকে চওড়া সীতাহার দিতে পারে। বাউটি দিতে পারে। সন্তান সম্ভাবনা হলে কাছে এনে শেষ মাসটা চোখে চোখে রাখতে পারে, কিন্তু আর সব?
–“শিবের মত স্বামী পেয়েছো, আর কি চাই, মা? পড়তে এক হাড়জ্বালানের হাতে, তাহলে বুঝতে কত ধানে কত চাল”।

ধান কুটতে হলো বেলা। বছর কুড়ি পরে পার্ক স্ট্রীটের রাজস্থলীতে কলেজে পড়া এক ‘সাজুনি’ বোনঝির সঙ্গে গিয়ে ছায়া রুদ্ধশ্বাসে দেখছিলো রাজস্থানী গয়না: গালা, দস্তা,খাড়ু, ঝুমকো, কারে বাঁধা পাথর বসানো তাবিজ।
–“মামনের জন্যে এটা নেবো? ওর ভারি মুখ, ঝুমকো খুব মানাবে।“
বোনঝি আর মাসির এক অদ্ভূত খেলা চলছিলো।
–নাও না, ঐ বেগুনি সবুজ মিনেটা নাও। দারুণ দেখতে!”
আসলে দুজনেই জানতো গয়না খোঁজার ভান করে দক্ষিণের পাঁচ নম্বর ঘরের সাজুনি মেয়েটাকেই লুকিয়ে খুঁজছিলো দুজন।মামন টামন সব বাজে কথা।

শ্রীমতী শুক্লা সান্যাল এখনও লহর তুলে হাসেন। সামনের পাটির দুই একটা দাঁত নেই। তা না থাকুক গে যাক। লহরটি যে রয়ে যাবে তা সবাই জানে!
ঐ যে, গোড়াতেই বলা হয়েছে, যে মেয়ে জন্ম থেকেই জেনেছে তাকে লড়াই করে বাঁচতে হবে, তার মুখের হাসিটি কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা মুখপোড়া ভগবানেরও নেই।
(ক্রমশঃ)

Advertisements

About purnachowdhury

I am a person of and for ideas. They let me breathe.
This entry was posted in Fiction. Bookmark the permalink.

One Response to পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (বিংশতি পর্ব )

  1. Pingback: পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (বিংশতি পর্ব ) | Methinks…

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s