পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (ঊনবিংশতি পর্ব)

34 Bhagavatha - Yogamaya

অষ্টম গর্ভ বড় কম কথা নয়।

মাসটা  ছিল ভাদ্র, তিথি ছিল অষ্টমী এবং রাতটা ভয়ানক অন্ধকার।  এই ক্ষণজ্ন্মা মূহুর্তে একজন রাজনীতিকের জন্ম হয় কংসের কারাগারে দেবকীর গর্ভে। । তিনি যুগাবতার এবং অর্জুনকে ধর্মযুদ্ধে উদ্দীপিত করেন।। শ্যাম বর্ণ চতুর্ভুজ মূর্তি দেখে দেবকী যারপরনাই বিস্মিত এবং নবজাতকের  শরীরে বিভিন্ন ধরনের মহাপুরুষের লক্ষণ দেখে অভিভূত। সেই সময় কৃষ্ণবর্ণ নবজাতক জননীকে উদ্দেশ করে বলে: ‘সয়ম্ভুর মন্বন্তরে তুমি ছিলে পৃশ্নি এবং বসুদেব ছিলেন সুতপা নামে প্রজাপতি। প্রজা সৃষ্টির আদেশকালে তোমরা বারো সহস্র বৎসর আমার তপস্যা করেছিলে। সে সময় তোমাদের বর প্রার্থনা করতে বললে তোমরা আমার মতো সন্তান পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলে এবং ত্রেতা যুগে তোমার গর্ভে আমি ধরা দিয়েছিলাম। তখন সবাই আমাকে পৃশ্নি পুত্র বলে ডাকত। এমন করে কশ্যপ অদিতির গৃহেও আমি একবার জন্মগ্রহণ করেছিলাম।’ এবার সর্বশেষে দ্বাপরে আমি বিশ্বপালক সর্বশক্তিমান ভগবান শ্রীকৃষ্ণ  হয়ে তোমার কোলজুড়ে আবির্ভূত হয়েছি।। এইরকম গোলমলে  সময়ে দৈববাণী হয়, ‘বসুদেব, তুমি এখনই গোকুলে গিয়ে নন্দের স্ত্রী যশোদার পার্শ্বে তোমার ছেলেটিকে রেখে এস এবং এই মুহূর্তে তার যে কন্যা শিশুটি জন্মগ্রহণ করেছে তাকে এনে দেবকীর কোলে শুইয়ে দাও। আমার মায়ায় পৃথিবীর সব মানুষ এখন গভীর ঘুমে অচেতন, যার ফলে কেউ কিছুই জানতে পাবে না।’ যমুনা নদীকানায় কানায়। বসুদেব দেখলেন যমুনার জল শুকিয়ে গেছে এবং একটা শেয়াল যমুনা নদী পার হয়ে যাচ্ছে। বসুদেব তখন ভেকধরী শেয়ালকে পথপ্রদর্শক মনে করে তাকে অনুসরণ করলেন। এবং সেই ভরা দুর্যোগে এক দিশেহারা পিতা এবং তার কালোকোলো ছেলেটিকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করার জন্য নাগরাজ তার বিশাল ফণা বিস্তার করেন।কিছু সময়ের মধ্যে বসুদেব তার ছেলেকে যশোদার কোলে রেখে যশোদার কন্যা যোগমায়াকে নিয়ে কংসের কারাগারে ফিরে আসেন। সকালবেলা  যথারীতি কংস খবর পান দেবকীর অষ্টম সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে কারাগারে চলে এসে দেবকীর কোল থেকে মেয়েটিকে ছিনিয়ে নিয়ে একইভাবে পাথরের ওপরে আছাড়  মারেন ঠিক যেভাবে আরও সাতবার আত্মরক্ষার্থে  এই সুকর্মটি তিনি সুচারু রূপে সম্পন্ন করেছেন। অষ্টম দফায় আছাড় মারতেই মেয়েটি শূন্যে উঠে দিব্য  মূর্তি ধারণ করে। এবং মহাশূন্যে মিলিয়ে যাওয়ার পূর্বে কংসকে বলে যায়, ‘তোমাকে বধিবে যে গোকূলে বাড়িছে সে’।

এমন নয় যে এই যুগান্তকারী  ঘটনাটি অশ্রুতপূর্ব। তবে   বিষয়টি শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কিত নয় পরোপুরি। বহুকাল ধরেই অষ্টম গর্ভ নিয়ে কিছু প্রত্যাশা সাবেক আমল থেকেই বহু পরিবারে ডালপালা ছড়িয়ে বাসা বেঁধেছিলো  বহু গভীরে। শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে দেবকীদেরও অভাব ছিলোনা  সে সময়ে। এক ডজন ছেলেপুলে বহু মেয়েই হেসেখেলে জন্ম দিয়েছেন ডাক্তার বদ্যির নাম মুখে না এনেই।  তারপর আঁতুড় মুক্ত হয়ে আবার হাতাবেড়ি ধরেছেন যতদিন না আবার আঁতুড়ে ঢোকার সময় হয়েছে।। তবে ঐ যে দ্বাপর যুগের অষ্টম গর্ভ ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন, সেই থেকেই আট নম্বুরেদের নিয়ে নানা আশাভরসা। ছেলে হলে তো কথাই নেই, অবতার হওয়র পথে সে তো এগিয়েই আছে। আর মেয়ে হলে …

১৯৩৫ সালের ভাদ্রমাসের অষ্টমী তিথিতে গভীর রাতে পূর্ণলক্ষ্মী তাঁর আট নম্বর সন্তানটির জন্ম দেন। যোগমায়া থেকে ডাকনাম মায়া। সাদা কাগজের মত হওয়ার দরুণ ভালো নাম শুভ্রা। সত্যি বলতে কি, পাঁচ নম্বর মেয়ে নিয়ে আদিখ্যেতা করাটা তেমনভাবে ঘটে উঠতোনা সেই সময়ে, তবে যেহেতু মেয়ের ডাকনাম ছিল দৈবী যোগমায়ার অপভ্রংশ (ভুললে চলবেনা তিনি ছিলেন কৃষ্ণের প্রক্সি) হয়তো বাপ মায়ের মনে খানিকটা দুরাশা উঁকিঝুঁকি দিয়েছিলো।। কিছুই বলা যায়না।

কিন্তু বাপ মা যাই ভেবে থাকুন,মায়ার বলা কওয়ার মত কিছুই ছিলোনা ঐ রংটুকু  ছাড়া।  তবে তাতে যে তার কিছু এসে গিয়েছিলো তাও নয়।  সেই কোন ছোটবেলায় লাফাতে লাফাতে চলে যেতো টমিদের ছাউনিতে। তারপর ছোট ভাই সলিলের শার্ট প্যান্ট আর Boy Scout এর টুপি পরে কাঁচের আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে টকাটক্ স্যালুট, নিজেকে। ফ্রক রিবন ইত্যাদি মেয়েলিপনা তার মোটেও ছিলোনা।  মার চোখের আড়াল হলেই শার্ট প্যান্ট। ভাইয়েদের বন্ধুদের দলে ভিড়ে রাস্তায় ইঁটের উইকেটে ক্রিকেট। গ্রীষ্মের দুপুরে বা বিশ্বকর্মা পূজোয় মাঞ্জা দেওয়া, ঘুড়ির লড়াই। এইসব দুষ্কর্ম সবই পূর্ণলক্ষ্মীর চোখের আড়ালে।  পূর্ণলক্ষ্মী মাঝেমাঝেই এই মেয়েকে ‘সাব্যস্ত’ করার ব্রত নিতেন। মাঝে মাঝেই দেখা যেতো মায়াকে ঘিরে দিদিদের পল্টন। কেউ তাকে চেপে ধরেছে, কেউ প্রবল বিক্রমে তেল দিয়ে তার ঝাঁকড়া চুলের জট ছাড়াচ্ছে আর কেউ রিবন নিয়ে রেডি। নাটকের শেষ অঙ্কে বেড়াবিনুনি, পরিচালনায় পূর্ণলক্ষ্মী দেবী। সমবেত দর্শকবৃন্দের মধ্যে বামুন ঠাকুর, কাজের লোকজন, দাদারা আর দুই ভাই দীপু আর সলিল।  তবে সব প্রচেষ্টাই ক্ষণস্থায়ী। বিদ্যাপতি ঠাকুর হলে বলতেন, “তাতল সৈকতে বারিবিন্দু সম…”। আমরা বলি, “সবই যোগমায়ার খেলা”।

মায়া এইভাবেই বড় হয়েছে। তাকে মেয়েলিপনার তালিম দেওয়া যায়নি। যে সময়ে মায়া বেড়ে উঠেছে, বীরেন্দ্রনাথ অস্তগামী। পূর্ণলক্ষ্মী মেয়েকে তেমনভাবে সময় দিতে পারেননি। শুধু এই ছন্নছাড়া মেয়েকে অসহায়ের মত ভলোবেসে গেছেন। দিদিদের  রাজত্বেই বাস ছিলো শুভ্রার: দিদি ছোড়দি সেজদি শিলাদি।

তারাই শাড়ি ধরিয়েছে, ঘড়ি কিনে দিয়েছে, ছবি তোলার নেশা বুঝে ক্যামেরা কিনে দিয়েছে। আর এক কড়াই মাছের ঝোলে এক কাপ আটা মেশানোর জন্য গঞ্জনা করেছে। এমনকি দুর্মর তাসখেলার জন্যে ম্যাট্রিক মাটি হয় দেখে দক্ষিণের ঘরে তালাবন্ধ রেখে পালা করে পাহারাও দিয়েছে। জননীর চার প্রতিনিধি।

বীরেন্দ্রনাথ  চলে যাওয়ার পর পূর্ণলক্ষ্মী বুঝেছিলেন বড্ড দেরি হয়ে গেছে। মায়ার বিয়ের বয়স প্রায় পার। বাবা যাওয়ার ছয় মাসের মাথায় অপকর্ষ করে বিয়ে হয় মায়ার। খুব হঠাৎ। আবারও ময়মনসিংহ। বিয়ের প্রস্তাব যখন আসে মায়া-ছায়া- খুকুর ডলুদা প্রবল আপত্তি জানিয়েছিলো স্বভাব বিরুদ্ধ ভাবে। কারণটা পরিস্কার করেনি। পূর্ণলক্ষ্মীর এই জামাইটি বরাবরই প্রয়োজনের অতিরিক্ত মিতবাক। এতটা না হলেও চলতো হয়তো।

–“ আমার তখন বুদ্ধি হরে গিয়েছিলো রে…পায়ে হেঁটে সম্বন্ধ এলো, না করতে সাহস পেলুম না। তোর বাবা ঠারেঠোরে কি বলার চেষ্টা করছে জানতেও চাইলাম না। মাথার ওপর তিন তিনটে মেয়ে, ছেলেরা তৈয়ের হয়নি, ভাবলুম সঞ্চয় যদি ফুরোয়?  তাই একবগ্গা হয়ে বিয়ে স্থির করে ফেললাম। তোমাদের মা মাসিদের ডেকে বলেছিলাম, “ওর যেন একবারও মনে না হয় ওর বাবা নেই বলে ওর বিয়ের জৌলুস কম হ’লো”।

হয়নি। একটু বাড়াবাড়ি রকম জৌলুসই হয়েছিলো। মায়ার মত এত গয়না কোনও বোন পায়নি।

এই প্রথম ছেলের বদলে পরিবার দেখেছিলেন পূর্ণলক্ষ্মী। এই শেষ।

–“আমি দেখলাম ঘর। ভাবলাম শ্বশুর আর্মির ডাক্তার, খুড়শ্বশুর প্রেসিডেন্টস্ সার্জন, এমন ঘর আর কোথায় পাবো? হলোই বা ছেলে একটু কমজোর। বাড়িঘর খাওয়াপরা, কিছুর অভাব থাকবে না ওর”।

রাঙামাসির বৌভাতে গিয়ে সোনা মস্ত উঠোনে নেমে অবাক হয়ে দেখেছিলো ব্যারাকপুরের লাট বাগানের বাড়িটা। মাসিকে বসানো হয়েছিলো মস্ত একটা সিংহাসনে। অবাক হয়ে দেখেছিলো মাসির ওপর হাতে এত্ত মোটা মোটা সোনার তাবিজ। কপাল জুড়ে সোনার শিকল। মায়ার ডলুদা মায়ার বৌভাতে যায়নি। নাকি কাজ ছিলো।

পূর্ণলক্ষ্মী প্রথম ঘা খেয়েছিলেন প্রথম জামাইষষ্ঠীতে। ছেলেদের দিয়ে নতুন জামাইকে যথাবিহিত নেমন্তন্ন করতে পাঠিয়েছিলেন ব্যারাকপুর। নতুন জামাই। ফোনে নেমন্তন্ন করলে খারাপ দেখায়। দীপু ফিরেছিলো মুখ কালো করে। মায়ার সঙ্গে একান্তে একটাও কথা বলতে দেয়নি ওর শ্বশুর বাড়ির লোকরা। সারাক্ষণ ওকে ঘিরেছিলো। শ্বশুরকে ভালো লাগেনি দীপুর।মুখ দেখে মনে হয়েছে মায়াকে উনি ছাড়বেন না। শাশুড়ি মানুষ খারাপ না, কিন্তু বড় নরম দুর্বল মানুষ। মায়া খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সবার খোঁজ নিয়েছে। এমনকি পূর্ণলক্ষ্মীর জোড়া কুকুর কেলো-ভেলো পর্যন্ত বাদ যায়নি তার লিস্ট থেকে।

মায়াকে ওরা পাঠায়নি। পরে মায়া বলেছিলো  তাকে বলা হয়েছিলো ‘বড় ঘরের বউরা ঘন ঘন বাপের বাড়ি যায়না’। খুব তাড়াতড়ি পূর্ণলক্ষ্মী বুঝে গিয়েছিলেন একটি রুচিহীন পরিবারের ঘোর ব্যক্তিত্বহীন, হীনমন্য এক মানুষের সঙ্গে মায়াকে জুড়ে দিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সম্মান রক্ষা করার বা রক্ষণাবেক্ষণের কোনও ক্ষমতাই জামাই সুধাংশু শেখর চক্রবর্তীর ছিলোনা। একবছর পর একটি আসন্নপ্রসবা প্রায় অজ্ঞান অসহায় মেয়েকে তার মায়ের বাড়ি নিয়ে আসেন পিতা পুত্র রাত প্রায় দশটার সময়। তার ঘন্টা দেড়েক আগে পূর্ণলক্ষ্মী একটা অদ্ভূত ফোন পান মায়ার শ্বশুর বাড়ি থেকে:বৌমার অবস্থা ভালো নয় এবং ব্যারাকপুরে ভালো নার্সিং হোম নেই। তাছাড়া মেয়েদের প্রথম সন্তান প্রসবের ব্যয়ভার বহন পিতা মাতারই দায়িত্ব ইত্যাদি প্রভৃতি…চক্রবর্তী বাড়ির গাড়িটা এসে দাঁড়াতেই এক রগচটা ভাই সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে বলেছিলো, “আজ দুটোকেই খুন করে ফাঁসি যাবো”। পূর্ণলক্ষ্মী বলেছিলেন, “আগে বোনটাকে বাঁচাও”। গভীর রাতে ব্যথায় নীল মায়াকে ভর্তি করা হয়েছিলো নার্সিং হোমে। প্রসবের প্রশ্নই ছিলো না।  শিশুটি বহু আগেই মৃত এবং মায়ের জরায়ূতে সংক্রমণ শুরু হয়েছিলো। প্রথম সন্তানের মৃত্যু মায়ের পুনর্জীবন।

জীবনে প্রথম পূর্ণলক্ষ্মী একটা ভারি অন্যায্য কাজ করেছিলেন। অসুস্থ রক্তশূণ্য মেয়েকে বলেছিলেন, “আমি ধরে নেবো তোমার বিয়ে হয়নি। তোমাকে আর ও বাড়ি ফিরতে হবে না”। খুব আশ্চর্যের বিষয়, নরম সরম বরেন্দ্রনাথও বোনকে বলেছিলেন, “তোর ভাইরা কি মরে গেছে?” মায়া কি বুঝেছিলো কে জানে? কথায় আছে:

বাপ রাজা তো রাজার ঝি
ভাই রাজা তো আমার কি?

একটু শরীর সারতেই মায়া কাউকে কিছু না জানিয়ে ব্যারাকপুর ফিরে গিয়েছিলো। তার বছর দেড়েক পরে মায়ার আর একটি ছেলে হয়। এইবার সম্পূর্ণ লাহিড়ী বাড়ির তত্ত্বাবধানে।  সুধাংশু শেখর তারপর আরও তিন যুগ মায়াকে এয়োস্ত্রী থাকার অপার আনন্দ দেন এবং যাত্রাকালে স্ত্রী এবং সন্তানকে প্রায় কপর্দক শূণ্য করে স্বামী এবং পিতার যৌথ কর্তব্য সম্পন্ন করতঃ স্বর্গলাভ করেন।

মায়ার ডলুদা ভায়রাভাইয়ের শ্রাদ্ধে যান এবং তাকে দেখেই মায়া কেঁদে ফেলে বলে, “ডলুদা, আমার আর একগাছি চুড়িও নেই,সমস্ত ওর চিকিৎসায় চলে গেছে”। এইভাবেই ‘যোগমায়া’ সতীত্বের এক উজ্জ্বল বিরল  দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
শ্রী জ্ঞানেশ চন্দ্র পত্রনবীশ কেন এই বিয়েতে অমত করেছিলেন তা তাঁর শ্যালিকা কোনওদিন জানতে পারেনি। ময়মনসিংহে এই পরিবারটির কিছু নারীঘটিত সুনাম ছিলো। স্বাভাবিক ভদ্রতায় বেধেছিলো বলে তিনি তাঁর শ্বশ্রু মাতা ঠাকুরানীকে একথা পরিস্কার করে বলতে পারেন নি; শুধু বলেছিলেন,  “এই বিয়েটা দেবেন না।এতে মায়ার ভালো হবে না” কোনও সঙ্গত কারণ না থাকায় পূর্ণলক্ষ্মী তাঁর “আড়বুঝো” জামাইয়ের কথা শোনেন নি।

কোন আঘাত পূর্ণলক্ষ্মীকে বেশী বেজেছিলো? বীরেন্দ্রনাথের চলে যাওয়া, না তাঁর অষ্টম গর্ভের এই জ্বাজ্জ্বল্য জীবন?
সে কথা কোনও বইয়ে লেখেনি।

(ক্রমশঃ)

প্রচ্ছদ: http://bhagavatham.blogspot.in/2012/11/34-bhagavatha-yogamaya-vasudeva.html

Advertisements

About purnachowdhury

I am a person of and for ideas. They let me breathe.
This entry was posted in Fiction and tagged . Bookmark the permalink.

4 Responses to পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (ঊনবিংশতি পর্ব)

  1. Pingback: পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (ঊনবিংশতি পর্ব) | Methinks…

  2. শনিবার চলে গেল – তুমি কলকাতায়, ভাবলাম, এ সপ্তাহে বোধহয় আর পূর্ণলক্ষীর দেখা পাওয়া জাবেনা। পেয়ে খুব খুশি হলাম।

  3. বাঙলায় type করতে গিয়ে যাবেনা বানান ভুল হল ।

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s