পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (দশম পর্ব )

Image

বীরেন্দ্রনাথের একটি গুপ্ত জীবন ছিল।এ ‘কেলেংকার’ কাণ্ডটি শুরু হয় ১৯৪২ এর একটু আগে পরে। চাপা মানুষ ছিলেন বরাবরই।তাঁর বাড়ির আশেপাশে চাদর মুড়ি দেওয়া লোকের ঘোরাঘুরি বাড়ির ছেলেপুলেরাও জেনে গিয়েছিলো।শুঁটকো-মত কাউকে ঘোরাঘুরি করতে দেখলেই ভেতরে খবর দিতে হবে।  তারপরের কেরামতি বাড়ির মেয়েদের।  তবে এটি প্রথম সন্দেহ করেন শ্রীযুক্তা ষোড়শীবালা দেবী।বীরেন্দ্রনাথের তিন-চার বছরের বড় শ্বশ্রু মাতা ঠাকুরাণী।

ষোড়শীবালা মানুষটি বড় অদ্ভূত।ভারি একটা দূর-পর ভাব।নিজের মেয়েকে কখনো কেউ ‘তুমি’ বই ‘তুই’ বলতে শোনেনি।নাতি নাতনীরা ভয় পেতো যমের মত।শীতের সময়ে দার্জিলিং থেকে নেমে আসতেন কলকাতায়।উঠতেন নকুলেশ্বর ভটচায্যি লেনে, তবে তারই মধ্যে দিনকতক জামাইবাড়িতে থাকতেন। ‘বউ’-এর আসার সময় হলেই পূর্ণলক্ষ্মীর জ্যেঠিমা বড় ‘আতান্তরে’ পড়তেন।বউ আসা মানেই বিছানা বালিশ তাকিয়ার খোল ধবধবে সাদা।পিকদানি তেঁতুল দিয়ে মাজা।বাড়ির বউদের সেমিজের ওপর নক্শা করা জ্যাকেট।রিঠে ভিজিয়ে সেই জল দিয়ে চুল ধোয়া।বলির পাঁঠার মত কপালজোড়া ধ্যাবড়া সিঁদুরের ফোঁটা নৈব নৈব চ।এইসব নানা অনাছিষ্টি ব্যাপার।   অমন যে দুর্ধর্ষ ভুবনমোহিনী, যিনি নাকি তাঁর ‘অলপ্পেয়ে’ স্বামীকে কখনো কখনো ঝাঁটাপেটাও করেছেন ( “পরে অবিশ্যি খুড়িমা রূপোর বাটিতে গঙ্গাজল নিয়ে খুড়োমশাইয়ের পায়ের বুড়ো আঙুল ডুবিয়ে পাদোদক খেতে ভুলতেন না”),  তিনি পর্যন্ত ষোড়শীবালাকে সমঝে চলতেন।ষোড়শীবালা এলেই তিনি পাঁচজনকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলতেন: “ঐ আইছেন দার্জিলিং-এর দিশী মেম”।সে ক’দিন বীরেনের বাড়ি তিনি ভুলেও যেতেন না।

–“মায়ের আসার সময় হলেই তোর মা মাসীদের মুখ শুকিয়ে আমসি হয়ে যেত।অথচ মা বকা ঝকা কিছুই করতেন না।তাও কি ভয় কি ভয়! আমিও বাপু মাকে একটু ভয় পেতুম।জ্যেঠিমা ছিলেন যেমন নরম সরম, মা তেমনি কড়া ধাতের।খালি মনে হ’ত এই একটা ভুল করবো আর মা দৃষ্টি দিয়ে বরফজল ঢালবেন।”

ষোড়শী -কথা

ষোড়শী । দশমহাবিদ্যার অন্যতমা।

ষোড়শী রূপটি ষোড়শবর্ষীয়া এক বালিকার রূপ। এই রূপ ষোড়শপ্রকার কামনার প্রতীক। তিনি কৃষ্ণবর্ণা ও শিবোপরি উপবিষ্টা। শিব ও ষোড়শীকে শয্যা, সিংহাসন অথবা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, রুদ্র ও ইন্দ্রের মস্তকোপরিস্থিত বেদিতে উপবিষ্ট রূপে কল্পনা করা হয়।

 

–“আমার মায়ের হাবভাব দেখে অনেকেই মনে করতো ভারী বড়লোকের মেয়ে।কিন্তু আমার দাদামশাই ছিলেন খুব গরীব।গুপ্তিপাড়া, কালনা ছাড়িয়ে তার পরেসমুদ্রগড়। নবদ্বীপধামের আগের স্টেশান । কাটোয়া থেকে ট্রেনে ঘন্টা চারেক তো নির্ঘাৎ ।  সেই আমার মামার বাড়ি।সেখানে আমার ঠাকুর্দামশাই কি করতে গেছিলেন ভালো জানিনে।   গরুর গাড়ির ছইয়ের ভিতর থেকে চোখে পড়েছিলো একটা ছোট মেয়ে উঠোনে পা ছড়িয়ে বসে আপনমনে বেলপাতা বাছছে।গাড়োয়ানের কাছে শুনলেন এ হলো বামুনপাড়া।ব্যাস্।খোঁজখবর সারা হয়ে গেল।মেয়ের বাপ জমিদারের সেরেস্তায় খাতা লেখেন।মৈত্র। আর…ও মেয়ের নাম ষোড়শীবালা।বাপের টাকা নেই বলে ন বছরেও বে হয়নি।  ষোড়শী হলেন কালীর এক রূপ, দশমহাবিদ্যার একজন।আমাদের বংশ দেবতা ডাকাতে-কালী, জানিস তো? বেলপাতা, মায়ের নাম, সব জড়িয়ে গেল ঠাকুর্দামশাইয়ের মনের মধ্যে।গলবস্ত্র হয়ে মাকে চেয়ে নিলেন ঠাকুর্দা।সঙ্গে তো ছিলো না কিছু, গ্রামের স্যাকরা বাড়ি থেকে দুগাছি বালা নিয়ে আশীর্বাদটি সেরে ফেলেছিলেন।হাতে চাঁদ পেয়েছিলেন দাদামশাই।সে আমলে মেয়ের বিয়ে অত চাট্টিখানি কথা ছিলনা।কত কিছু যে বিচার হতো তার সীমাসংখ্যা নেই।

বরবধূ জন্মতারা অশ্লেষা যদ্যপি হয়

ফলে উভয়ের শ্বশ্রু যায় যমালয়

মূলায় উভয়ে যদি জন্মগ্রহণ।

তাহাতে হইবেক শ্বশুরের মরণ।।

জ্যেষ্ঠায় জন্মিলে বধূ হয় ভাসুরের হানি

বিশাখায় জন্মিলে দেবরের মৃত্যু জানি।।

বরের মেষরাশি কন্যা ধনু হলে

নবপঞ্চক মিল তাহাকেই বলে।।

বর হয় মেষ আর কন্যা সিংহ হলে

অনুরূপ শুভফল জানিবে সকলে।।

 

—“এইসব খুব মানা হতো সেসময়ে। শুধু মায়ের বেলা সে নিয়ম খাটলো না। কেন জানিস? আমাদের ডাকাতে কালী কালো মেয়ে নয় রে…টুকটুকে লাল! তাই মায়ের গোলাপ ফুলের মত বর্ণ , নাম আর চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা বেলপাতা দেখে ঠাকুর্দামশাইয়ের মাথা ঘুরে গিয়েছিলো”।

ষোড়শীবালার বিয়েতে কোনও জাঁকজমক হয়নি। তাঁর মেয়ে পূর্ণলক্ষ্মী পেয়েছিলেন ব্রিজ প্যাটার্নের ছগাছা চওড়া চুড়ি., দক্ষিণবাহুতে হাঙরমুখো মোটা অনন্ত, গলায় মফ্ চেন আর পুষ্পহার আর মটরদানা। কানে কানপাশা আর সিঁথিতে দশভরির টায়রা। বেনারসি খানা জাম রঙের। তাতে রুপোর ঘন ফুল। আঁচলভরা গোলাপের ঝাপটা। ষোড়শীবালার গরীব বাপ কিছুই দিতে পারেননি। শাঁখা সিঁদুরে বিয়ে হয়েছিলো তাঁর। বরযাত্রীদের আপ্যায়ন হয়েছিলো বর্ধমানের বিখ্যাত সরু চালের মুড়ি, নারকোল আর ক্ষীর দিয়ে। সত্যি সত্যি।

ষোড়শীবালা সুন্দরী ছিলেন কি ছিলেন না বলা শক্ত। ছোট কপাল ঘিরে চাঁচর চিকুর আর বিখ্যাত সেই গাত্রবর্ন যা বোর্ন এ্যান্ড শেফার্ডের সাদাকালো ছবি থেকেও ফুটে বেরোতো। কিন্তু চোখে একটা প্রখরতা ছিল তাঁর। নাকটি একটু বেশী তীক্ষ্ণ। ঠোঁট দুটো বেশী সরু, চাপা। পটের বিবি তাঁকে বলা যেতনা কোনওমতেই। ঝরঝরে দীঘল চেহারা। মেয়েদের তুলনায় একটু বেশী লম্বা। একটু বেশী চাপা স্বভাব। পুর্ণলক্ষ্মীর মা। তাঁর ছেলেমেয়েদের মা-ছোট।

সমুদ্রগড়ের এই নিতান্ত গ্রাম্য মেয়েটি কিভাবে তাঁর আধা সাহেব স্বামীর সঙ্গে দার্জিলিংএ সংসার পেতেছিলেন সে এক ভাবার বিষয় বটে।  পাহাড়ে থেকে থেকে  কিছু বিদেশী শখ হয়েছিলো তাঁর। লেসের পর্দা। খাবার টেবিল। ঘরের কোণে ফুলদানিতে ফুল। পায়ে বারোমাস ঘাসের চটি। বারন্দায় অর্কিড। সংসার তাঁকে বাঁধতে পারেনি। ছেলেমেয়ের মা হয়েছেন, ঘরসংসার সামলেছেন।আত্মীয় কুটুম হাঁড়ি হেঁশেল কিছুই বাদ পড়েনি। তবুও …স্বামীর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক ছিল কে জানে! কালীপ্রসন্ন ছিলেন নির্লিপ্ত মানুষ । দূরে থাকতেন বলেই হয়তো খনিকটা উদাসীনও। তবে কিছু বিদেশী আচার ছিল তাঁর। বালিকা স্ত্রীকে কন্ভেন্টে ভর্তি করেছিলেন। আট ক্লাস পর্যন্ত পড়েছিলেন ষোড়শীবালা। তারপরেই পূর্ণলক্ষ্মীর জন্ম। সঙ্গদোষে ষোড়শীবালাও খানিকটা অন্যরকম হয়েছিলেন। রোজকার ডাল ঝোলে মন ছিল না তাঁর। গ্রেভি কাটলেট্, চপ, পিশ্ –প্যাশ্,  জ্যাম, জেলি , পুডিং এসব পূর্ণলক্ষ্মীর তাঁর থেকে শেখা বেশী বয়সে।  অনর্গল নেপালী ভাষায় কথা বলতেন। মায়ের কাছে বেশিদিন থাকেননি তিনি তাও পূর্ণলক্ষ্মীর যেন হালকা মনে পড়ে দুই একখানা নেপালী গানও গাইতেন তাঁকে আর তাঁর থেকে অনেক ছোট দুই ভাইকে ঘুম পাড়াতে।শীতকালে যখন নামতেন,সঙ্গে থাকতো কমলালেবু , এলাচ, মাখন। ঐ যে ভুবনমোহিনী খেতাব দিয়েছিলেন “দিশী মেম” ঐটেই মোক্ষম কথা।এ হেন মাকে নিয়ে কি যে করেন পূর্ণলক্ষ্মী !

কথা হচ্ছিলো বীরেন্দ্রনাথকে নিয়ে। আর তাঁর গুপ্ত জীবন। তা সেখানেও ষোড়শীবালা।

Image

বীরেন্দ্রনাথ -বৃত্তান্ত

যদি মাতে মহাকাল উদ্দাম জটাজাল ঝড়ে হয় লুণ্ঠিত ঢেউ ওঠে উত্তাল.

হয়ো নাকো কুণ্ঠিত, তালে তার দিয়ো তাল—জয় জয় জয় গান গাইয়ো।

 

 

—“বুড়ি, জামাই এর চেম্বারে এত বেশী রাতে কারা আসে জিগেস কোরোতো? এত রাত করেই বা আসে কেন তারা?  তোমার আবার খেয়াল টেয়াল গুলো একটু কম। দিনকাল ভালো না”।

ভালো তো নয়ই। ১৯৪২। সব নেতারা জেলে। স্বাধীনতা আন্দোলনের বিষদাঁত ভাঙার যজ্ঞ চলছে। কিন্তু ঐ যে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন “রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?” ১৯৪২-৪৩ সেই বৃত্তান্ত। নেতারা জেলে ঠিকই কিন্তু ততদিনে সর্ষের মধ্যে ভূত। নেটিভরা বড় অদ্ভূত জাত। তারা কেউবা ল্যাম্প পোস্টের আলো আঁধারিতে চাদর মুড়ি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।নিজের দেশের মানুষকে বেচে দেয় । আবার কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চক্রব্যূহতে ঢুকে পড়ে। আর কেউ কেউ শামলা চড়িয়ে কোর্টে যায়, সাহেব মক্কেলদের সঙ্গে ‘হাউ ডু ইউ ডু’ করে গভীর রাতে বৈঠকখানায় বসে মক্কেল দের পরামর্শ দেওয়ার ভান করে। নিশুতি রাতে দিস্তে দিস্তে স্বদেশী ইস্তেহার হাতবদল হয়। লুকোনো হয় বাড়ির এখানে সেখানে। কাকপক্ষী  জানতে পারেনা। বাড়ির গিন্নী তো নয়ই। রামায়ণের কাঠবিড়ালি বৃত্তান্ত। যতদিন নেতারা না আবার হাল ধরেন এইরকম অজস্র মানুষ আগুনটিকে জাগিয়ে রেখেছিলো ছোট ছোট গুপ্ত সংগঠনে। তাদের মূল সুর ছিলো রাজদ্রোহ। ইস্তেহার ছিল তার ইন্ধন।ধরা পড়লে ফাঁসি বা যাবজ্জীবন।

–“উনি যে কবে থেকে এই সর্বনেশে কাণ্ডতে ভিড়েছেন বুঝতেও পারিনি। মায়ের কথাও তেমন কানে তুলিনি। বুঝলুম যেদিন গভীর রাতে উনি আমাকে বললেন কাল দুপুরবেলা বাড়িতে পুলিশ পড়বে। খোলা ছাদে মালসায় আগুন দিয়ে দিস্তে দিস্তে ইস্তেহার পোড়ানো হলো। তারপর ভোর রাতে সেই সব ধুয়ে মুছে শুতে গেলুম।  পুলিশ এলো বেলাদুপুর নাগাদ। যখন বাড়ির ছেলেরা কেউ নেই। মা শুধু বলেছিলেন. “কোনো বোকামো করে বসো না।  শেষবার একবার ভালো করে দেখে নাও। যদি কিছু পাও খবর্দার সকালে পোড়ানোর চেষ্টা করবেনা। আমাকে দেবে। আমি আসনের তলায় রেখে জপে বসবো। আর যাই করুক পুলিশ  জপে বসা হিন্দু বিধবার গায়ে হাত দেবেনা। কাগজ আর ছিলনা। ছিল আনন্দমঠ আর পথের দাবী। মাকে এনে দিয়েছিলুম। সিঁড়ি দিয়ে পুলিশ উঠছে। মা গুরুদেবের আসনের সামনে বই দুটি পেতে তারওপর বাঘ ছালটি বিছিয়ে অধিষ্ঠান হলেন। চোখ বোঁজা। হাতে জপের মালা ঘুরছে! এদিকে পুলিশ সারা বাড়ি তাণ্ডব করে বেড়াচ্ছে! ”

বীরেন্দ্রনাথের বৈঠকখানায় একখানি জমকালো সোফা ছিল। লাল ভেলভেটে  মোড়া। আবলুশ কাঠের।সাহেব সার্জেন্ট সে যাত্রা সেটি ছিঁড়েখুঁড়ে শেষ করেছিলেন তল্লাশি নিতে গিয়ে। সে দুঃখ পূর্ণলক্ষ্মীর শেষকাল পর্যন্ত ছিল। বড় শোবার ঘরের খাটের গায়ে সেই ছেঁড়া সোফা আশির দশক পর্যন্ত রাখা ছিলো। কেন কে জানে।

 

সর্ষের মধ্যে ভূত।  সেই প্রথম পূর্ণলক্ষ্মী একজাতের মানুষের কথা জানলেন। এরা অনেকেই ছোটখাটো পুলিশ কর্মচারী। গুপ্ত পুলিশী সিদ্ধান্তের খবর ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে এদের জুড়ি ছিলোনা। এদের মধ্যে যেমন ছিলো দিশী পুলিশ, কেরানী,  তেমনই ছিলো টাইপিস্ট, । তারা লুকিয়ে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা দুই একখানা বেশি কার্বণ কপি করে নিতো। তারপর সে কাগজ পৌঁছে যেতো যথাস্থানে। এসব বলতে বলতে পূর্ণলক্ষ্মীর চোখে ঘন ছায়া।
–“কথায় আছে বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা।ওনার এক সায়েব মক্কেলের ভায়রা ছিলো লালবাজারের অফিসার। আইরিশ।সেও কতবার খবর পৌঁছে দিয়েছে। সব সায়েব কি আর খারাপ লোক ছিলোরে ! হাতে মাত্র ঘন্টা দুয়েক সময়। খবর এলো। অণিমা আর শীলার ফ্রকের তলায় কাগজ গুঁজে তাদের পাঠিয়ে দিয়েছি অনিল মিত্তির মশাইয়ের বাড়ি। তিনি ছিলেন আর এক ঘাগু…”

তারপর দুলে দুলে সেই হাসি পূর্ণলক্ষ্মীর। কথার মোড় আবার ঘুরে গেছে মায়ের দিকে: “ ‘উনি বলতেন ‘শাশুড়ি, না Grand Duchess বোঝা কঠিন’, বুঝলি!”

দেয়ালে অল্প বেঁকে থাকা পুরোনো আমলের ভারি ফ্রেমের ভিতর থান পরা একটি দীঘল মানুষ। পা মুড়ে বাঘছালের ওপর সোজা হয়ে বসা। ছোট করে ছাঁটা চুলের ওপর দিয়ে কপাল ঢাকা ঘোমটা। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। সামনে একটি কমণ্ডলু। ভুরুদুটো অল্প কুঁচকানো।

মিসেস্ ষোড়শীবালা ভট্টাচারিয়া। মা-ছোট। 

(ক্রমশঃ)

 

 ছবি:

https://www.dollsofindia.com/product/folk-art-paintings/kali-sitting-on-tiger-kalighat-painting-water-color-on-paper-CE09.html

http://britishlibrary.typepad.co.uk/untoldlives/2013/05/political-propaganda-and-the-quit-india-movement.html

Advertisements

About purnachowdhury

I am a person of and for ideas. They let me breathe.
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

One Response to পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (দশম পর্ব )

  1. Pingback: পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (দশম পর্ব ) | Methinks…

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s