পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (সপ্তম পর্ব)

Image

একে তো সে গৌরবরণ, রমণীর মন করে হরণ, 

তাহে আবার তিলকধারন করেছে নবীন বয়সে…”

“ভূতলে অতুল সভা–ফটিকে গঠিত;
তাহে শোভে রত্নরাজি, মানসসরসে
সরস কমলকুল বিকশিত যথা।
শ্বেত, রক্ত, নীল, পীত স্তম্ভ সারি সারি
ধরে উচ্চ স্বর্ণ ছাদ, ফণীন্দ্র যেমতি,
বিস্তারি অযুত ফণা, ধরেন আদরে
ধরারে। ঝুলিছে ঝলি ঝালরে মুকুতা,
পদ্মরাগ, মরকত, হীরা, যথা ঝোলে
খচিত মুকুলে ফুলে পল্লবের মালা
ব্রতালয়ে।“

ইহা কি রাবণের সভা? ইহা তো নাট্যশালার বর্ণনা!

শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মেঘনাদ বধ কাব্যে রাবণের সভার বর্ণনা। এবং অল্পবয়সী রবীন্দ্রনাথের ঘোর মাইকেলি সমালোচনা। সতি্যই তো, হাজার হোক রাবণের সভা হল রাজসভা, তাতে অত রগরগে বর্ণনা কিসের বাপু! রাজসভার একটা গাম্ভীর্য থাকবেনা? ১৯৩০ এর দেশের অবস্থা খানিকটা নাট্যশালার মতই বটে। ঘটনার ঘনঘটা। সেই ১৯৩৫ এর গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া এ্যাক্ট দিয়ে শুরু। বীরেন্দ্রনাথের মত স্বল্পবাক মানুষের মুখ দিয়েও মেয়েলী চুটকি বেরিয়েছিলো ক্ষোভে: ‘সেই যদি নথ খসালি, তবে কেন লোক হাসালি?’ কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে চিৎপুরের নথ-খসানো বেদানাবালা, আশ্চর্যময়ী দাসীদের কোথায় যেন মিল পেয়েছিলেন বীরেন্দ্রনাথ। এত উত্তেজনা, এত জল্পনা কল্পনা এত বলিদান…তারপর এই ভিক্ষের অন্ন?!
তবে কি এসবের হোতা গান্ধীকে ত্যাগ করেছিলেন ‘উনি’? মোটেও না। “যদ্যপি আমার গুরু শুঁড়িবাড়ি যায়/তদ্যপি মোর গুরু নিত্যানন্দ রায়”।
— “সত্যি বাপু, রাধার যেমন কানু বিনে গীত নেই দেশের তেমন গান্ধী বিনে গতি নেই। তা নাহলে সুভাষ বোসের মত মানুষের জায়গা হয় না কংগ্রেসে? বুকের পাটা ছিল বটে তার! নাহলে গান্ধীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় ?”কি যে জেদী মানুষ ছিলেন গান্ধী…কিছুতেই তাকে কংগ্রেসের সভাপতি থাকতে দিলেন না। নাকি ও পথে মুক্তি নেই। তাঁর কাকে পছন্দ? না, পট্টভি সীতারামাইয়া! বোঝো কান্ড”!
ডুগডুগি বাজছে, বেজেই চলেছে: “ওপেনটি বায়োস্কোপ নাইনটেইন টেইস্কোপ …”
দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তর। ১৯৩৮ হরিপুরা কংগ্রেস। ১৯৩৯ ত্রিপুরা কংগ্রেস। দেশের আকাশে তখন দুই সূর্য্য: প্রাজ্ঞরা চেয়ে আছেন গান্ধীর দিকে। তরুনরা দেখছেন সুভাষকে। আর পূর্ণলক্ষ্মী মত মায়েরা সুভাষের মধে্য দেখছেন তাঁদের না জন্মানো ছেলেকে। রত্নগর্ভা হতে কোন মেয়ে না চায়? মেয়েজন্ম ধন্য হয় আর কিসে? আর নবীনারা দেখছিলেন একটুকরো আগুন… কিন্তু এক আকাশে দুই সূর্য থাকেনা। ত্রিপুরা কংগ্রেসেই সেকথা প্রমাণ হয়ে গেল।
—“ওরে, বিমলা কি সাধে সন্দীপের ফাঁদে পা দিয়েছিলো? এক একজন পুরুষের মধে্য আগুন থাকে। তারা জ্বলে আর জ্বালায়” ।

খুব সত্যি কথা। সুভাষচন্দ্রের আগুন ছিল। দেশের লোক সে আগুনের তাপ পেয়েছিলো তার বছর ছয়েক পরে। সে সময় এ লেখায় এখনো আসেনি।

পূর্ণলক্ষ্মীর রোজনামচা

আশ্চর্যময়ী বেদানাবালাদের কথা যখন উঠলোই, তখন আর দুটো বিপর্যয় কাণ্ডর কথা বলতেই হয়। ১৯৩৮ নাগাদ বালীগঞ্জের বাড়িতে ঢুকেছিলো আরও দুটি খেলনা। একখানি চোং বসানো গ্রামোফোন আর একটি রেডিও। বিশেষ করে গ্রামোফোন খানা ছিল সময় নষ্টের কল। কোনদিকে যে যান পূর্ণলক্ষ্মী! ততদিনে রান্নার ভার চলে গেছে ঠাকুরের হাতে। তারা সব আসত বিহার আর উড়িষ্যা থেকে। সংসার বেড়েছে। পূর্ণলক্ষ্মীর বয়সও কিছু বসে নেই। তিনি তখন নয় ছেলেমেয়ের মা। আঁচলে চাবির গোছা বাঁধা গিন্নী। তাঁর রোজকার কাজ ভাঁড়ার গোছানো, রান্না বলে দেওয়া। আর মস্ত বড় বঁটি আর জলভরা কাঁসার গামলা নিয়ে বসে ফালি ফালি করে আলু কাটা, শীতকালে ঝিরি ঝিরি করে বাঁধাকপি কাটা। হেঁশেলের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ঠাকুরকে রান্না বলে দেওয়া। কোনটায় কি ফোড়ন, কোন মশলা। শুকনো লঙ্কা না কাঁচা। ঝোল ন ঝাল। মুগ না মুসুরি। কুমড়ো দিয়ে গ্রীষ্মকালের হালকা মুগের ডাল, নাকি শীতকালের ঘন করে ঘি দেওয়া মটর ডাল সময়ের সব্জী দিয়ে। এছাড়া সারাটি বছর ধরে হত পেটরোগা ছেলেপুলেদের পথ্যি: পেঁপে কাঁচকলা দিয়ে সিঙ্গি মাগুরের ঝোল। অথবা কি পাঁঠার টেংরির জুস্। ( “আমাদের সময়ে গেরস্থবাড়ীর খাওয়ার অত আইবাই ছিলো না বাপু। পালে পার্বণে তরিবতের রান্না হত। শুধু সেই সময়ে আসরে নামতেন গিন্নীরা”)।

রান্না ঘর ভাঁড়ার ঘর তিনতলায়। সেখানকার কাজ কর্ম সেরে পূর্ণলক্ষ্মীর ছুটি। তারপর স্নান, খবরের কাগজ আর এলোচুল। নাটকের দৃশ্য একটিও বাদ পড়লে চলবে না। দুপুর একটু গড়ালে পানের বাটা নিয়ে গুছিয়ে বসা। গাঙ্গুলী গিন্নী, ষোড়শী, ভোনু কানুর মা সব আসবে একে একে। মনের কথা প্রাণের কথা। ‘মুখপোড়া জামাই’ থেকে শুরু করে টাটকা তাজা দেশের খবর।: “আমার কর্তা বলছিলেন গান্ধী নাকি মোতিলাল নেহরুর ছেলেকে মাথায় তুলছেন, সত্যি নাকি, সেজদি?” সবাই কলবল করে।

এককোণে হালকা একট ঘোমটা টেনে বসে থাকে শুধু ষোড়শী । আর মাঝেমাঝে আড়েআড়ে গ্রামোফোনের দিকে চায়। ষোড়শী পূর্ণলক্ষ্মীর ছোট জা। খুড়িমার বড়ছেলে রাঙার বউ। এই ছোট জায়ের ওপর পূর্ণলক্ষ্মীর বড় মায়া। ষোড়শীর রূপ নেই। আছে শুধু মাথাভরা মেঘের মত চুল, আর সুরের নেশা। শ্বাশুড়ী তার রূপের কমতি মেনে নিতে পারেননি। তাঁর রাজপুত্তুরের মত ছেলের পাশে বউকে মানায়নি। পষ্ট কথা। সারাদিন শাশুড়ীর মন রাখার অক্লান্ত চেষ্টা করে দুপুরবেলা সেজদির ঘরের মহিলামহলে এককোণে এসে বসত সে। কখন সেজদি একটু কলের গান চালাবেন। তার চাউনি দেখে বুঝতে পারতেন পূর্ণলক্ষ্মী। তখন আর কথা নয়। শুধু গান। টপ্পা, পালাকীর্তন, শ্যমাসঙ্গীত… আঙুরবালা, ইন্দুবালা, হরিমতী, কমলা ঝরিয়া।

‘সাঁঝের তারকা আমি…


কিন্তু সাত আশ্চয্যির এক আশ্চয্যি ‘কুমারী যূথিকা’! মা রে মা, কি সুর কি সুর । পনেরো ষোলো বছরের একরতি এক মেয়ে। রামবাগান নয়, চিৎপুর নয়, ভদ্রলোকের মেয়ে, হাওড়ায় জন্ম। ১৯৩৪-এ মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে তার প্রথম রেকর্ড বেরুল এইচএমভি থেকে – ‘আমি ভোরের যূথিকা’ আর ‘সাঁঝের তারকা আমি পথ হারায়ে’। ব্যস্ জগৎ সংসার জয় করে বসে রইলো ঐ মেয়ে তারপর! ঐ মেয়ের গান শুনেই তো বীরেন্দ্রনাথ শোভনাকে গান শেখাতে রাজী হয়েছিলেন।
এইচএমভির জুন ১৯৩৮-এর ক্যাটালগ থেকে জানা যায়:
‘বর্ত্তমান জুন মাস হইতে আমাদের রেকর্ডের আসরে একটি নতুন বিভাগ খোলা হইল। আমরা এই বিভাগের নাম দিয়াছি ‘গীতি-চিত্র-মালা’। কথার তুলিকায় ও সুরের রঙে বিভিন্ন এক-একটি সুন্দর গীতি-চিত্র রচনা করিয়া আমরা গীত-রসিক শ্রোতাদের মাঝে মাঝে উপহার দিব। শুধু আধুনিক ভাব-প্রধান গান এবং মামুলী ভক্তিমূলক ভজন শুনিয়া শুনিয়া যাঁহারা ক্লান্ত, গীতি-চিত্র-মালা তাঁহাদের মনে নতুন আনন্দের রসদ জোগাইবে আশা করি।’ এরপর গানের আবহ ও এর রূপকার সম্পর্কে মন্তব্য করা হয় : ‘আমাদের গীতি-চিত্র-মালায় প্রথম ফুল গাঁথিয়াছেন বাংলার শ্রেষ্ঠতমা গায়িকা কুমারী যূথিকা।সুর-সংযোজনা এবং পরিচালনা করিয়াছেন কমল দাশগুপ্ত…”

এঁর গান বড় পছন্দ ছিল ষোড়শীর। বড় জায়ের গা ঘেঁসে বসে ফিস ফিস করে বলতো, “ও সেজদি, সেই যে ‘যদি যমুনার জলে ফুল হয়ে ভেসে যাই’আর ‘মন-বৃন্দাবনে রাস-মঞ্চে বেঁধেছি গোপনে’ সে দুখানা একটু শুনবেননা?” শুনতেন বৈকি পূর্ণলক্ষ্মী। বারবার । যত না নিজের জন্যে, তারচেয়ে বেশী এই কালোকোলো, রোগা,মুখে আঁচিল, অনাদরে পড়ে থাকা মেয়েটির জন্যে। আহা দুদণ্ড আনন্দ করুক। যে আহামরি বিয়ে হয়েছে…এরচেয়ে কলসী দড়ি ছিল ভালো। ষোড়শী মা মরা মেয়ে। বাবার দেশবিদেশে ঘুরে ঘুরে চাকরি। পঞ্চদশী মেয়েকে নিয়ে ঘোরাটা তাঁর সুবিধের মনে হয়নি। অতএব পাত্র খোঁজো। বারেন্দ্রদের শাখায় শাখায় আত্মীয়তা। খোঁজ পাওয় গেল একটি পাত্রর। লেখাপড়ায় তেমন কিছুনা, তবে হ্যাঁ, রাজাবাদশার মত চেহারা বটে। টুশকি দিলে শরীর থেকে রং ঝরে। দাবিদাওয়া তেমন কিছু নেই তবে জামাইকে একটি পাকা চাকরি খুঁজে দিতে হবে। হাতে চাঁদ পেয়েছিলেন ষোড়শীর বাবা। তিনি নিজে ছিলেন সরকারি চাকুরে। সায়েবদের ধরে করে একটা চাকরি করে দিতে অসুবিধে হয়নি। বিয়ে হয়েছিলো যথাকালে। কালো মেয়েকে বাবা যথাসাধ্য মুড়ে দিয়েছিলেন গয়নায়। অন্যান্য তৈজসের সঙ্গে এসেছিলো শাড়ির পাড় দিয়ে তৈরী ঢাকনা দেওয়া একটি হারমোনিয়াম। তা নিয়ে তাকে হাসিঠাট্টা গঞ্জনা কম শুনতে হয়নি। বড় যত্নে সে হার্মোনিয়ম ঝাড়া মোছা করত সে। বছর ঘুরতেই লক্ষ্মী। তার দেড় বছর মাথায় পিন্টু, তারপর মিন্টু আর নন্দু। হারমোনিয়াম কবে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বুঝতেও পারেনি ষোড়শী।
গল্পের মধ্যেও গল্প থাকে। কুমারী যূথিকার মধ্যে কি পেতো ষোড়শী? শুধু কি সুরের টান?
হাওড়ায় জন্ম যূথিকার।খুলনার গ্রামে লেখাপড়া। সাত বছর বয়সেই বাবা ঠিক করেছিলেন মেয়েকে দিয়ে তিনি রেকর্ড করাবেন। মা ঠিক করেছিলেন কিছুতেই মেয়ের গান লেখাপড়া কিছু তিনি বন্ধ হতে দেবে না। সে আমলে ‘নাম লেখানো’ মেয়েরা ছাড়া বড় একটা কেউ গান গাইতো না। যূথিকার মা যখন তাকে গ্রামোফোন কোম্পানিতে দেন , কর্তাদের থেকে কথা নিয়েছিলেন যে, ‘আমার মেয়ে যখন যাবে তখন সে ঘরে আর কেউ থাকবে না। সেখানে শুধু ট্রেনার থাকবে আর রেকর্ড কোম্পানির কর্তা থাকতে পারেন আর যিনি লিখেছেন গান ইনি থাকবেন আর সঙ্গে চলনদার যে যাবে ওর ভাই কি বোন, তাকেও ওর সাথে রাখতে হবে। ওকে ট্যাক্সি করে নিয়ে যাবেন, আবার গান হয়ে গেলে এক মিনিট দেরি না করে ওকে ট্যাক্সি করে বাড়ি ফিরিয়ে দেবেন।’
এইভাবেই এই শান্ত সাদামাটা সুরধন্বা মেয়েটি হয়ে উঠেছিল যূথিকা রায়। নজরুল তাকে গান শেখান। কমল দাশগুপ্ত তার জন্যে পাগল। গান্ধীর জন্মদিনে তাঁকে ভজন শোনানোর ডাক পড়ে এই মেয়ের। আট বছর পরে ১৯৪৭-এর ১৫ই আগস্ট তার ডাক পড়বে দিল্লীতে। মোতিলাল নেহরুর ছেলে রাজা হয়ে তাকে শিরোপা দেবেন ‘Nightingale of Bengal’।
ষোড়শী , পদ্মরাণী, মহামায়ারা সাতসকালে বিয়ের পিঁড়িতে বসবে। শরীর মন তৈরী হওয়ার আগেই মা হবে। আর গালে হাত দিয়ে শুনবে যূথিকা গাইছে: “স্নিগ্ধ শ্যাম বেণী বর্ণা…”
যূথিকারা গল্পে থাকে। অথবা চোং দেওয়া গ্রামোফোনে।

আজব দেশ। আজব সময়। গান্ধী, সুভাষচন্দ্র, জওহরলাল…বাক্সওয়ালা ডুগডুগি বাজাচ্ছে: ইংলন্ডকা রাজা দেখো, বাবু লোগকা খেল দেখো…কালীঘাটকা কালী দেখো…লক্ষ্ণৌকা বিবি দেখো…

নিঝুম দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার একটি দোতলা বাড়ির উত্তরের একখানা ঘরে কালো বাক্সের ভেতর থেকে রাম বাগানের মিস্ ইন্দুবালা গাইছে :

মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর নমো নম, নমো নম, নমো নম।
শ্রাবণ–মেঘে নাচে নটবর রমঝম, রমঝম, ঝমরম।
(ঝমঝম, রমঝম, রমঝম)।।
শিয়রে বসি চুপিচুপি চুমিলে নয়ন
মোর বিকশিল আবেশে তনু নীপ–সম, নিরুপম, মনোরম।।
মোর ফুলবনে ছিল যত ফুল
ভরি ডালি দিনু ঢালি’ দেবতা মোর
হায় নিলে না সে ফুল, ছি ছি বেভুল,
নিলে তুলি’ খোঁপা খুলি’ কুসুম–ডোর।
স্বপনে কী যে কয়েছি তাই গিয়াছ চলি’,
জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম, প্রিয়তম, প্রিয়তম।। 

কাজী সায়েবের গান।
আর কেউ না জানুক, ষোড়শী জানে।

(ক্রমশ:)

Photo credit: http://www.dollsofindia.com/images/products/kalighat-paintings/saraswati-PG36_l.jpg  

Advertisements

About purnachowdhury

I am a person of and for ideas. They let me breathe.
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

10 Responses to পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (সপ্তম পর্ব)

  1. Pingback: পূর্ণলক্ষ্মীর একাল সেকাল (সপ্তম পর্ব) | Methinks…

  2. Shilpi Nandi says:

    Golper emon badhuni je yei tuku te mone bhare na, whos kore sesh heye jai 🙂

  3. Braja Datta says:

    Bah.. khub bhalo laglo.

  4. runa bhattacharya says:

    moner koney thekey gelo arro pabar ichhey

  5. Sanjukta Bagchi says:

    Carry on Purna, very good job.

  6. Jinia Roy says:

    ashamanyo lekha…..addicted hoye jachhi…. boi aakare kobe hate pabo???sutibro opekkhay roilam

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s